শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৩
Homeআমেরিকাচিহ্নিত বিপদজনক এক জামাত শিবির বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ কমিটি করতে হবে...

চিহ্নিত বিপদজনক এক জামাত শিবির বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ কমিটি করতে হবে সাউথ জার্সীতে।

নিজস্ব প্রতিনিধি
সাউথ জার্সি মেট্রো আওয়ামী লীগের এক জরুরী সভা গত ১০ সেপ্টম্বর তারিখে আটলান্টিসিটিস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় । এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আবদুর রফিক। একে একে সব বক্তারা মেয়াউত্তীন্ন কমিটির সাধারন সম্পাদক এমরান ভূইয়ার সাম্প্রতিক আ’লীগ বিরোধী কার্যকলাপের নিন্দা ও গভীর উদবেগ প্রকাশ করেন। সবাইকে এমরান ভূইয়ার সাথে যোগাযোগ না করতে অনুরোধ জানান হয়। যা বহিস্কার তুল্য বলে সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

সভা থেকে উল্লেখ করা হয় এক সময় এই সিটিতে বাংলদেশিরা সংখ্যায় কম থাকলেও সবাই মিলে কমিটি না থাকলেও সংগঠনের নিয়মিত কর্ম কান্ড চলতো। ২০০৮ সালে স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের নির্বাচনে হেরে যাওয়া একটি গ্রুপ ও চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির নেতা নিয়মিত এখানে জামায়াতে ইসলামীদের সাথে সব আ’লীগ বিরোধী কাজে লিপ্ত ছিলো । অতঃপর সেই লোকই কাউকে না জানিয়ে এমরান ভূইয়াকে নিয়ে নিউয়র্কের এক ব্যাবসায়ির (গৌরাংগ কুন্ড) সুপারিশে আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে আসে। এতে সবাই বিক্ষুব্দ হয়ে পরবর্তীতে ডাকলেও জামায়াতে ইসলামীদের কমিটিতে না যেয়ে তারা নিজেরাই প্রকৃত আ’লীগারদের নিয়ে সবাই মিলে কমিটি গঠন করে। এখনও কমিটির সব কাজ কর্ম সুন্দর ভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন কোন অসুবিধা ছাড়াই ।

সবাইকে না জানিয়ে চুরিকরে আহ্বায়ক কমিটি আনলে জরুরী প্রতিবাদ জানাতে সবাই জেএককে সভাপতি ড,সিদ্দিকুর রহমানের কাছে যায়।
সবাইকে না জানিয়ে চুরিকরে আহ্বায়ক কমিটি আনলে জরুরী প্রতিবাদ জানাতে সবাই জেএককে সভাপতি ড,সিদ্দিকুর রহমানের কাছে যায়।

অপর দিকে কমিটি গঠনের দিন অনুপ্রবেশকারী স্বেচ্ছায় শিবির সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করলে আগত নেতৃবৃন্দ হতাশা প্রকাশ করেন। এবং তাকে ৭২ নং শেষ সদস্য করা হয় শর্ত সাপেক্ষে। তার লোকাল রাজনীতিতে শিরির সংশ্লিষ্টতার কথা জানাতে বাদ পড়ার আশংকায় সে শিবিরের কথা স্বিকার করে । প্রথম দিকে নানা ভাবে সে বুঝাতে চেয়েছিল সে জমাত ছেড়েছে। সবাই মিলে তখন আররী শিক্ষা লয় চালু করে সেও সম্পৃক্ত করে নিজকে । নিজেদের সন্তানদের যাতে মৌলবাদের শিক্ষায় থেকে বাচানো যায় এটাই ছিল লক্ষ। স্বতফুর্ত আলাদা ঈদের জামাতে সেটাতেও সে যোগ দেয়।কিন্তু আস্তে আস্তে তার মুখোশ উম্মোচিত হতে থাকে।

নুতন কমিটিকে সে জামাতি ভাব ধারায় চালাতে সচেষ্ট হয়। এতে তখনকার সভাপতি/সেক্রেটারীর আসকারা পায়।যেহেতু ইতিমধ্যে আলাদা একট সামাজিক সংগঠন তারা তৈরী করেছে সেখানে এক সাথে কাজ করে তারা। আ’লীগকে সে যত্রতত্র ব্যাবহার করতে চায় সবর্ত্র । সবার থেকে নিয়মিত চাঁদা নিলেও কোন কারন ছাড়াই আরবী স্কুল বন্ধ করা হয় এমরানের সহযোগীতায় কাউকে না জানিয়েএবংবন্দ করা হয় ঈদের আলাদা স্বতফুর্ত ঈদ জামাত। আ’লীগের মিটিং এ দলাদলির কথা বলে সেখানে জামাতি বিএনপির লোকদের আনাহতো ।কাউকে জমাত বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলতে বারন করা হতো। যারা বলতে চাইত তাদের আলোচনায় নাম রখা হতো না।এতে দিন দিন প্রকৃত আলীগাররা ক্ষিপ্ত হতে থাকে।

দৃষ্টিকটু নিরাপত্ত নিয়ে ১৮ জনের কমি্টি
ঘোষণা হয় এভাবে।
দৃষ্টিকটু নিরাপত্ত নিয়ে ১৮ জনের কমি্টি ঘোষণা হয় এভাবে।

একদিন বংগবন্ধুর জন্মবার্ষীকিতে স্থানীয় একটি হোটেলে আলোচনা সবায় ঘোষনা করা হলো একজনকে সহসভাপতির নাম যে নাকি বক্তব্য দিবে ।এর আগে সবাই তাকে আ’লীগ বিরোধী বলেই চিনতো। সে বক্তব্যের শুরুতে বলতে থাকেন তিনি সব জানেন, জিয়া তার সম্মুখে পটিয়ায় ড্রামের উপর দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা ঘোষনা করেছে ।আলোচনা সভাটা বংগবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে ।এর পর সে অনর্গল বংগবন্ধুর বিরুদ্ধে বিষেদাগার করতে থাকেন। সে বলে “বংগবন্ধু দেশ চালাতে ব্যার্থ হয়েছেন, জুলুম নির্যাতন চালিয়েছেন, তিনি আমাদের আত্মার অভিশাপ থেকে মারা গেছেন” ইত্যাদি ইত্যাদি। সবাই তার উপর ক্ষিপ্ত হলে অনুপ্রবেশকারী স্টেজে এসে তাকে বক্তব্য চালিয়ে যেতে বলেন। পরে জবাব দেয়া হবে বলেন। এতে সে সাহস পায় ,বলেন আমি সুযোগ পেয়েছি সব বলবো। ইতিমধ্যে প্রায় সভায় অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। কিন্ত তার পর এটাকে ধাপাচাপা দিতে সচেষ্ট হয় অনুপ্রবেশকারী । কিন্ত সে থেকে দ্বিতীয় বিভক্তি শুরু হয় ।

অন্য একদিন ,বংগবন্ধুর মৃত্যুবার্ষীকি উপলক্ষে আলোচনা সভায় ততকালীন সিনিয়র সহসভাপতি জিরাজ ভুইয়া বলেন যে’বংগ বন্ধুকে গালি দেয় সে বাষ্টাড’ । সে দিন যুক্তরাষ্ট্র আ’লীগের সভাপতি ড,সিদ্দিকুর রহমান,নিজাম চৌধুরী সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। কারো চোখেই এটা বিরুপ মনে না হলেও ।শিবিরীর অনুপ্রবেশকারী পরদিন সবাইকে ক্ষেভের সাথে এর নিন্দা জানিয়ে ব্যাবস্থা নিতে বলেন। ডাকা হয় জরুরী সভা। সিরাজ ভূইওয়ার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিন্দা প্রস্তাব আনা হয় এই কথা বলার জন্য। এখানেই শেষ নয় সবার উপস্থিতিতে ওনাকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। কান্নারত অবস্থায় তিনি তার মামা এমরান ভুইয়ার সহয়তা চাইলে সে ক্ষমা চাইতে বলেন। ক্ষমা চেয়ে তিনি কান্নারত অবস্থায় বাড়ি যান। সে দিন বুঝা যায়নি এটাকি আওয়ামী লীগ না জমাত।

এ সব বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র আ’লীগের সভাপতি ড, সিদ্দিকুর রহমানকে জানানো হলে কোন কাজ হয়নি। বার বার জানানো হয়েছে। এমন কি সাংবাদিক সম্মেনন করাতে তিনি আমাদের প্রতি বিরাগ ভাজন হয়েছেন। তিনি সামনা সামনি আমাদের পক্ষে দেখালেও অজ্ঞাত কারনে কোন কিছুতেই কাজ হয়নি। এর মধ্যে ভোটের মাধ্যমে কমিটি করার কথায় সবাই সায় দিয়ে মেম্বার বানিয়েও কোন কাজ হয়নি।সর্বোচ্চ ৮০ জনের মতামতকে উপেক্ষা করে ৪০ জনের কম ভোটারকে পাধান্য দিয় পর দিন ১৮ জনের আজগুবী কমিটি করা হয়। । যেখানে ড, সিদ্দিকুর রহমান নিজে বলেন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সব ভুল ত্রুটি শুদ্ধ করে পূর্নাংগ কমিটি করা হবে ।যা আজ পাচ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি।

আঠারো জনের কমিটিতে কে কোত্থেকে এলো কেও জানেনা। দুএক জন সমাজিক ভাবে ঘৃনীত পদবি লিপ্সু থাকলেও সে কমিটি এখন ভেংগে চুরমার , কোন কার্যক্রম নেই। । উল্লেক্ষ্য এমরান ভুইয়া প্রথম চোরা কমিটির কারনে অনুপ্রবেশকারীর বিরুদ্ধে উপরে উপরে অবস্থান দেখিয়ে সেক্রেটারীর পদবি বাগিয়ে নেয়। এটা যে অনুপ্রবেশকারীর ইচ্ছায় হয়েছে তা সকলের কাছে এখন পরিষ্কার। প্রকৃত আ’লীগার প্রায় সবাই বাদ। বাদ পরেছেন মুক্তি যোদ্ধা যিনি যুদ্ধাপরাধী মীর কাশেম আলীর বিরুদ্ধে সরাসরি এফ বি আই এ অভিযোগ করার কারনে একইদিন একাধিক মিটিং স্থগিত করে মীর কাশেম আলী বাংলাদেশে যেতে বাধ্য হয়ছে। এটা নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় হয়েছে। কিন্ত তাকে বাদ দিলেন কেন কে কাকে জবাব দিবে। মনে হয় যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে যাওয়ার শাস্তি।

ইতিমধ্যে এমরন সাহেব কমিটি আনার জন্য মরিয়া।বর্তমানে শেষ কমিটেতে কেউ আসেনা ১৮ জনের কমিটিতে নানা নাটক যুদ্ধ চলে ও চলছে। বহিস্কার সহ মারামারি সব সেখানে । তারা আবার পদ পদবি দিতে বলে নুতন কমিটি আনার চেষ্টায় আছে। ঢূকানোর চেষ্টা করছে সাবেক শিবির নেতাকে। উল্লেক্ষ প্রথম চোরা কমিটির পর থেকে নানা ভাবে আমাদের চেষ্টায় অনুপ্রবেশকারীকে আর কমিটিতে নাম রাখা হয়নি। সে কমিটেতে না থাকলে যে সকল নেতা হয় প্রায় সবাই নানা ভাবে আসা তার লোক । ড,সিদ্দিকুর রহমানের পূর্ন সময় পূর্নাংগ কমিটি হয়নি শুধু মানুষের বিরোধীতায় সাবেক শিবির নেতাকে ঢুকানো যায়নি অনেকেই তাই মনে করেন। এখন লক্ষ্য পর্দার অন্তরাল থেকে তাকে প্রকাশ্য কমিটিতে আনার চেষ্টা চলছে। এখন এমরান ভুইয়া সকলের সাথে বেইমানী করে তাকে নিয়ে সকলকে বাদ দিয়ে ভুয়া কমিটি আনতে চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন আছে।

। কমিটির পদপদবি পেতে হাজার হাজার টাকা চাওয়ার কথা শুনা যায়। এখন বিরট অংকের লেনদেনের কথাশুনা যাচ্ছে। লেনদেনের মাধ্যমে এমরান ভুইয়া একাজ করছেন বলে জানা যায় । সব কিছু জানানো হলেও ড,সিদ্দিকুর রহমান সাহেব অনুপ্রবেশ কারীর জন্য দেশের প্রধান মন্ত্রির দপ্তর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দপ্তরের সুপারিশের কথা বলেন সব সময়। অভিযোগ তদন্ত যাচাই বাছাই কোন দিন হয়নি । এমন কি এক বার প্রধানমন্ত্রীর সফর সংগী সাংবাদিক সৈয়দ শুকুর আলী। শুভ তখনকার রিপোরটার্স ইউনিটির সেক্রেটারী ও সমকালের তখনকার সিনিয়ার রিপোর্টার ফাসিউ উদ্দিন মাহতা্ব যুক্তরাষ্ট্র আ’লীগ সভাপতিকে অনুপ্রবেশকারীর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ফোনে তিনি চট্রগ্রামের আমিনুর রহমান আমিন ভাইয়ের(কেন্দ্রীয় নেতা) সুপারিশের কথা বলে তার ব্যাপারে অপারগতার কথা জানান। তারা সাথে সাথে আমিনুল ইসলাম আমিন ভাইকে ফোন দিলে তিনি ক্ষোভের সাথে তা অস্বিকার করেন। তাকে জিজ্ঞেস করবে বলে জানান।

ইতিমধ্যে এমরান ভুইয়া ঐক্যের বাপারে কথা বলতে এসে বলেন, “শহীদ খান শিবির করেন এটা সবাই জানে” । কমিট গঠনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ কত্রিক আমাদের ব্লাব দেয়া হয়েছে। ইত্যদি। তার পরেও সে আ’লীগকে শিবির নেতার হাতে তুলে দিতে তৎপর । এরপর আহুত সভায় উপস্থিত সবার এককথা শিবিরের অনুপ্রবেশকারীকে বাদ দিয়ে কমিটি করতে হবে। যে ভাবে যে পক্রিয়ায় হয় আমরা রাজি। বিশাল লেনদেনের মাধ্যমে যে কমিটে আনার চেষ্টা চলছে সেই, রকম কিছু অনুমোদন না দিতে আ’লীগের সভাপতি ড, সিদ্দিকুর রহমানকে অনুরোধ জানানো হয়।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment - spot_img