শুক্রবার, মার্চ ১, ২০২৪
Homeপ্রধান সংবাদলাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুরোগী, প্রশ্নবিদ্ধ ঢাকার দুই সিটির কার্যক্রম

লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুরোগী, প্রশ্নবিদ্ধ ঢাকার দুই সিটির কার্যক্রম

এডিস মশার প্রজনন মৌসুমের শুরুতেই রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। কিন্তু মশা নিধনে তেমন কিছুই করতে পারছে না ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। মশা নিধনে কাজে আসছে না তাদের কোনো পদ্ধতিই। ফলে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এতে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে দুই সিটির কার্যক্রম।

কীটতত্ত্ববিদরা জানান, বর্ষা মৌসুমে সামনের দিনগুলোতে ডেঙ্গু আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। কারণ, যেখানেই বৃষ্টির পানি জমছে, সেখানেই এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে। আবার এমন কিছু জায়গায় এডিস মশা প্রজনন করছে, যেখানে বৃষ্টির পানির সম্পর্ক নেই। এর মধ্যে রয়েছে বহুতল ভবনের পার্কিংয়ের জায়গা, নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্ট, ওয়াসার মিটার বাক্স এবং বাসাবাড়িতে জমিয়ে রাখা পানি।

সাধারণত জুন তথা বর্ষার শুরু থেকে ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়তে থাকে। তখন বৃষ্টির পানি বিভিন্ন স্থানে পরিত্যক্ত পাত্রে জমে। এই প্রাদুর্ভাব চলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময়টা ডেঙ্গু জীবাণু বহনকারী এডিস মশার প্রজননকাল ধরা হয়।

নগরে মশা নিধন বা নিয়ন্ত্রণ সিটি করপোরেশনের অন্যতম প্রধান কাজ। কিন্তু ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি এ কাজে ব্যর্থ। তবে ডিএনসিসি ও ডিএসসিসির সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দাবি, সাধারণত এডিস মশা বাসাবাড়ির আঙিনায় পরিত্যক্ত পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে জন্মায়। এক্ষেত্রে প্রত্যেক বাসায় ঢুকে এডিস মশা নিধনের সক্ষমতা করপোরেশনের নেই। তাই এ মশা নিধনে নগরের সব বাসিন্দাকে সচেতন হতে হবে। নিজ বাড়ির আঙিনা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। জনসচেতনতা ছাড়া মশা নিয়ন্ত্রণ বা নিধন সম্ভব নয়।

এই জনসচেতনা তৈরিতে সবচেয়ে বেশি প্রচারণা বা কর্মসূচি চালাচ্ছে ডিএনসিসি। তারা স্কুলে পাঠ্যপুস্তকে এডিস ও কিউলেক্স মশা নিয়ে জনসচেতনতামূলক অধ্যায় যুক্ত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব করেছে। এছাড়া ঢাকা উত্তরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদরাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে।

গত ১৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ জুন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন ৩২৩ জন। এদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ২৬০ জন ও ঢাকার বাইরের ৬৩ জন।

এভাবে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে গত ১৯ জুন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন পাঁচ হাজার ২৩১ জন। এদের মধ্যে রাজধানীর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন চার হাজার ৬৭ জন। মারা গেছেন ৩৬ জন। ডেঙ্গু আক্রান্ত এবং মারা যাওয়া রোগীদের অধিকাংশই ঢাকা শহরের বাসিন্দা।

এর আগে ২০২২ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যায় দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২৮১ জন। বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরেই ডেঙ্গুতে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৬২ হাজার ৩৮২ জন। ২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয় ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই বছর দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার জাগো নিউজকে বলেন, আগে বর্ষা মৌসুমে এডিস মশা বংশবিস্তার করতো। এখন সারা বছরই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে এডিস মশা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ অনেক কঠিন কাজ। সিটি করপোরেশনের যে সক্ষমতা তা দিয়ে এডিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এজন্য দরকার জনসচেতনতা। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনকেও মশা নিধনে সঠিক ওষুধ প্রয়োগে গুরুত্ব দিতে হবে।

এডিস ও কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণে সারাবছরই বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে ডিএনসিসি। কিন্তু তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারায় ডিএনসিসিকে বরাবরই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে।

ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, গত ১৭ মে বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে এডিসের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে ৫৪টি ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও জাতীয় স্কাউট দল। মূলত তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম ও জনসচেতনতা সৃষ্টির কাজ করছেন। এছাড়া যেসব ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, তাদের জরিমানা করছেন ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত। মসজিদের ইমাম, স্কুল-মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়েও জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে ডিএনসিসি।

গত ১৭ জুন লালমাটিয়া সরকারি মহিলা কলেজের অডিটোরিয়ামে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বাড়াতে ডিএনসিসি আওতাধীন এলাকার সব স্কুল-কলেজের অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে ডিএনসিসি। সভায় ডিএনসিসি মেয়র এডিসের প্রজনন ক্ষেত্র গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা, মাটির পাত্র, খাবারের প্যাকেট, অব্যবহৃত কমোড দেখিয়ে উপস্থিত শিক্ষকদের সচেতন করেন।

লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুরোগী, প্রশ্নবিদ্ধ ঢাকার দুই সিটির কার্যক্রম

ডিএনসিসির এত কর্মসূচির পরও নগরে মশা কমছে না বলে অভিযোগ করেন নাগরিকেরা। নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা হাসিবুর রহমান জানান, গত ২ জুন তার ভাগনি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। এর দুদিন পর তার বোনেরও জ্বর আসে। পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। এ এলাকার আরও অনেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।

জানতে চাইলে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে আজ বৃষ্টি, কাল রোদ। এমন রোদ-বৃষ্টির ফলে এডিসের লার্ভা বেশি জন্মায়। কোনোভাবেই পানি জমতে দেওয়া যাবে না। সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর, কর্মকর্তা, মশককর্মী সবাই মাঠে কাজ করছেন। কিন্তু নাগরিকদের নিজেদের ঘরে, বাড়ির ছাদে পানি জমিয়ে রাখলে সেটির দায় নাগরিকদের নিতে হবে। ছাদে অব্যবহৃত কমোড, পাত্র, রঙের কৌটা, টায়ার এগুলো রেখে দিলে সেই দায় ভবন মালিককেই নিতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

ডিএসসিসি

ডিএসসিসিও সারা বছর এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে নানান কর্মসূচি পালন করেছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানোসহ জনসচেতনা তৈরি করেছে তারা। এখন এডিস মশা নিয়েও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে ডিএনসিসির তুলনায় তাদের কর্মসূচি বা কার্যক্রম কম বলে জানিয়েছেন নাগরিকরা।

ডিএসসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডে সারা বছরই নানা কর্মসূচি পালন করে ডিএসসিসি। এরই অংশ হিসেবে গত ১৮ জুন ধলপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর আলম। তখন যাদের ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে, তাদের জরিমানা করেন আদালত।

লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুরোগী, প্রশ্নবিদ্ধ ঢাকার দুই সিটির কার্যক্রম

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত শনিবার (১৭ জুন) ফেসবুকে পোস্ট দেন ডিএসসিসির সংরক্ষিত ২৪ নম্বর (৬১, ৬২, ৬৩ নম্বর ওয়ার্ড) ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফারহানা ইয়াসমীন। তিনি লেখেন, ‘আমার ডেঙ্গু পজিটিভ, সবাই দোয়া করবেন।’ এ বিষয়ে জানতে কথা বলতে চাইলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

প্রতিদিন ঢাকার হাসপাতালগুলোতে যত সংখ্যক ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হচ্ছেন, তাদের অধিকাংশই ঢাকার বাসিন্দা নন বলে দাবি করেছেন সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘ডেঙ্গু এখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ডেঙ্গুরোগী ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তাদের অনেকেই হাসপাতালে ভর্তিতে ঢাকায় থাকা আত্মীয়-স্বজনের বাসার ঠিকানা ব্যবহার করছেন।’

তিনি বলেন, ‘মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত ওষুধ ছিটানো হয়। মানুষের মধ্যে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, মাইকিং করা হয়। নগরের সবার সহযোগিতা পেলে বা সচেতন হলে মশা থাকবে না।’

পাঠ্যপুস্তকে মশা
গত জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আয়োজনে দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের কমার্শিয়াল ল’ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (সিএলডিপি) আমন্ত্রণ ও অর্থায়নে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি প্রতিনিধিদল ফ্লোরিডা সফর করে। মেয়র আতিকুল ইসলাম এ দলের নেতৃত্ব দেন। তারা সেখানে মশা নিধন কার্যক্রম নিয়ে কয়েকটি কর্মশালায় অংশ নেন। সরেজমিনে মশা নিধন কার্যক্রম দেখেন।

পরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, মশা নিধনে ডিএনসিসি এতদিন ভুল পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। ভুল পদ্ধতির কারণে মশার লার্ভা ধ্বংস হয়নি বরং অর্থের অপচয় হয়েছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে মশার প্রজাতি চিহ্নিত করতে একটি ল্যাব স্থাপন করবেন।

লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুরোগী, প্রশ্নবিদ্ধ ঢাকার দুই সিটির কার্যক্রম

ডিএনসিসির সচিব দপ্তর সূত্রে জানা যায়, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে দেশে ফিরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি পাঠ্যপুস্তকে মশা নিয়ে অধ্যায় যোগ করার দাবি জানান। পরে মেয়রের নির্দেশে গত ২১ মার্চ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়। এ চিঠিতে পাঠ্যপুস্তকে মশা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতামূলক অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়। তখন এ প্রস্তাবে সম্মতি দেয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। পরে তারা সুপারিশ করে এই চিঠি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাব অনুমোদন করবে কি না বা করলে কী কী বিষয় থাকবে তা পর্যালোচনার জন্য শিগগির সভা আহ্বান করা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা বিদেশে দেখেছি কিন্ডারগার্টেন স্কুল, প্রাইমারি স্কুলের শিশুদের এডিস মশা নিধনে সচেতনতা শিক্ষা দেওয়া হয়। কারণ শিশুরাই বাসাবাড়িতে গিয়ে এটি অ্যাপ্লাই করবে। তারা বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানিদের জানাবে বাসাবাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে, কোনোভাবেই পানি জমতে দেওয়া যাবে না। তারা সবাইকে জানাবে কীভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশের আদলে আমরা এরই মধ্যে এডিস নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়ে কার্টুন বই তৈরি করেছি। বিদেশে দেখেছি শিশুরা কার্টুন একে, রং করে এডিস মশা সম্পর্কে, লার্ভা কীভাবে জন্মায় সে সম্পর্কে শিখতে পারে। আমরা ডিএনসিসি এলাকার স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের জন্য এক লাখ বই ছাপানোর পরিকল্পনা নিয়েছি। তবে দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয়ভাবে পাঠ্যপুস্তকে যদি বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয় তাহলে এই শিক্ষাটা ছড়িয়ে যাবে সমগ্র দেশে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment - spot_img