বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
Homeপ্রধান সংবাদ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম রোধে কার্যকর ভূমিকা নেবে বাংলাদেশ

২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম রোধে কার্যকর ভূমিকা নেবে বাংলাদেশ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) শিশুশ্রমের বিষয়ে জিরো টলারেন্স মেনে চলছে। বাংলাদেশ ২০২৫ সালের মধ্য শিশুশ্রম রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে মন্তব্য করেছেন ইইউয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিটির প্রতিনিধি দলের প্রধান হিদি হাউতালা। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। গত এক দশকে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এক দশকে ইইউয়ের দেশগুলোতে বাংলাদেশের বাণিজ্য দ্বিগুণ হয়েছে। শ্রমিকদের অধিকার মেনে চলার বিষয়টি মানবাধিকারের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার শুধু সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেই নয়, নানানভাবে আইনটির অপব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছি। এক প্রশ্নের জবাবে হিদি হাউতালা বলেন, বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি, বিশেষ করে তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ইইউ। এখানে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হিসেবে ইবিএর (অস্ত্র ছাড়া বাকি সব পণ্য) অধীনে অগ্রাধিকারমূলক জিএসপি পায় বাংলাদেশ। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হবে। তারপর আরও তিনবছর ইইউর বাজারে বাংলাদেশের জন্য জিএসপি বজায় থাকবে। এতে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ইইউ বাজারে পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। পরবর্তীতে এ সুবিধা পেলে ইইউয়ের শর্তগুলো মেনে চলতে হবে, যা আমরা ধারাবাহিকভাবে মনিটরিং করছি। ইইউ পরিস্কারভাবে বলছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করা উচিৎ। এ যুদ্ধের ফলে খাদ্য-জ¦ালানির যে সংকট দেখা দিয়েছে, তা শুধু ওই দুটি দেশকে নয়, পুরো বিশ্বকে বিপদে ফেলেছে। আলোচনা সভায় ইইউ প্রতিনিধি দলের সদস্য ম্যাক্সিমিলান কারাহ বলেন, বর্তমান বিশ্বের পরিস্থিতি বদলে গেছে। এজন্য শ্রমিক অধিকার থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সব বিষয় সংস্কার করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। ডিক্যাবের সভাপতি রেজাউল করিম লোটাসের এ আলোচনা সভার সঞ্চালনায় ছিলেন। এর আগে রোববার চারদিনের সফরে বাংলাদেশে আসে ইইউ প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন- হিদি হাউতালা, জোসে ম্যানুয়েল মারগালু, সেভেন সিমন, অ্যাজেন্স জনরিয়ার্স, জর্দি কানানস, প্যারেস, ম্যাক্সিমিলান কারাহ। তাদের সঙ্গে ইউরোপীয় কমিশনের এক্সটার্নাল পলিসি বিভাগের দুজন ও পলিটিক্যাল গ্রুপের তিন এজেন্ট রয়েছেন।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment - spot_img