মঙ্গলবার, মার্চ ৫, ২০২৪
Homeআমেরিকাদেশের জনগনের স্বার্থ ও আত্মমর্যাদা বিকিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চাইনা : নাগরিক...

দেশের জনগনের স্বার্থ ও আত্মমর্যাদা বিকিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চাইনা : নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী

ওয়াশিংটন ডিসি, ২ মে । আবু নছর।
বিশ্বব্যংকের ৫০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে আগত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দেওয়া নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী নিজের স্বপ্নে সাধে দেশে যে উন্নয়ন কর্মকান্ড চালাচ্ছেন তার বিশদ বিবরন তুলে ধরেন। তিনি দৃড় চিত্তে বিরোচিত মনোভাবে বলেছেন, দেশের স্বার্থ ও আত্মমর্যাদা বিকিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় থাকতে চাইনা। তিনি বলেন, সব হারিয়ে দেশের মানুষের ভালোবাসা সমর্থন পেয়েছি। তাদের ভোটে আমি ক্ষমতায় আছি। মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ভীষন দুরবস্থা থেকে দেশকে কোথায় নিয়ে এসেছেন তার বিশদ বর্ননা দিয়ে তিনি বলেছেন।

কোথায় কি ঘাটতি রয়েছ তাও আমরা নিরুপন করে কাজ করে যাচ্ছি । এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলেছিলাম ,করেছি তার সুফল আপনারা পাচ্ছেন। এখানে আমার কাছে প্রয়োজনীয় ফাইল দেশ থেকে পাঠানো হচ্ছে আমি স্বাক্ষর করে পাঠাচ্ছি। আজ সবার হাতে হাতে ফোন আমরা করেছি ।যা ছিল বিএনপির এক বিদেশ মন্ত্রীর এক চেটিয়া ব্যাবসা। মুষ্টি মেয় লোক ব্যাবহার করতো । কাউকে ফোন করলে ১০ টাকা শুনলেও দশ টাকা ছিলো মিনিটে। আমার দেয়া ডিজিটাল ভোগ করেই নিন্দুকেরা আমাদের বিরুদ্ধে সারাদিন মিথ্যে অপবাদ করছে। কোন লাভ নেই। এসব না দেখা ও না পড়ার জন্য তিনি সবাইকে আহবান জানান।

দেশের সর্ব ক্ষেত্রে উন্নয়নে বিশদ বর্ননা দিয়ে তিনি বলেন, ৪০ লক্ষ টন খাদ্যের ঘাটতি নিয়ে কাজ শুরু করে আজ খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ন হয়েছে দেশ, মেট্রো রেল হয়েছে, কর্নফূলী টার্নেন হচ্ছে, পাতাল ট্রেন হবে কাজ চলছে। একশত সড়ক ও এক শত সেতু একসাথে উদ্ভোধন করেছি এরি মধ্যে ,দেশ এগিয়ে যাচ্ছে যাবে। বংগবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনের অংশ বিশেষ উল্লেখ করে তিনি বলেন ,তিনি সেদিন বলেছিলেন “ আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবেনা”। তিনি বলেন আমিও বলি আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবেনা।

স্বাধীনতার পর মাত্র তিন বছরে বংগবন্ধুর যুদ্ধ বিধ্বস্থ দেশকে খালি হাতে পুর্নগঠনের বিশদ বর্ননা তিনি দেন। তিনি বলেন জাতি সংঘ ,ও আই সি সহ অন্যান্য সদস্য সহ শতাধিক দেশের স্বীকৃতি পেয়েছিল দেশ। সরা দেশের রাস্তা ঘাট ব্রিজ সব সংযোগ স্থাপন করেছিলেন তিনি । এতা অনেকটা যাদুকরী কাজ বলে তিনি উল্লেখ করেন। যার দেশকে মেনে নেয়নি, লুট ও অগ্নি সংযোগ করে দেশকে ব্যার্থ রাষ্ট্র বানাতে চেয়েছিল।তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিল সেই দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারীরা শুধু বংগবন্ধুকে নয় পরিবারের সবাইকে এমনকি শিশু রাসেল ওপেটের বাচ্ছাও রেহাই পায়নি খুনীদের হাত থেকে । মানবধীকার ও গনতন্ত্রের বর্তমান দাবিদারকে তিনি প্রশ্ন করেন ,কোথায় ছিলেন আপনারা তখন, আর আপনাদের গনতন্ত্র ও মানবাধিকার।

বিএনপির চোরা অবৈধ বে-আইনি ভাবে দল ঘঠনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রপতি একাধারে সামারিক বাহিনীর প্রধান আবার রাষ্ট্রপতিও ছিলেন।ভোটার বিহীন হাঁ না ভোটে দিয়ে তামাশা করা হয়েছে,জাতির সাথে নির্বচনের নামে মানুষ ছাড়া , বন্ধুকের নলে। নানা অভ্যুর্থানে্র নামে হাজার হাজার সেনা অফিসারকে হত্যা করা হয়েছে। লাশ গুম করা হয়েছে এমনকি পারিবারকে পর্যন্ত জানানো হয়নি কোন কিছু । সে সময় থেকে চালু করেছিল বিচারহীনতার স্বংস্কৃতি। আমাকে হত্যা করার জন্য গ্রনেট হামলা করা হয়েছে আইভি রহমান সহ আমাদের অনেকেই মারা গেছেন। কেউ কেউ আজও গ্রেনেটের ষ্পিন্টারের যন্ত্রনা বহন করে চলছে । সাজিয়ে ছিল জজ মিয়া নাটক। তিনি প্রশ্ন করে বলেন যে বিএনপিকে আমরা ভোটার বিহীন নির্বাচনের কারনে আন্দোলনের মাধ্যমে গদী চ্যুত করেছি সেই বিএনপি আজ ভোটের কথা বলে কি ভাবে । আমারা ভোট ভাতের অধিকার দিয়েছি , বিচারহীনতা থেকে দেশকে উদ্ধার করেছি । তিনি আরও বলেন বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার হয়েছে, ইনডেমনিটি আইন বাতিলের মাধ্যমে। যুদ্ধপরাধীদের বিচার হয়েছে। পালিয়ে থাকা খুনীদের মধ্যে আমেরিকায়ও এক জন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি পদ্মাসেতুর একটি ছবি নিয়ে এসে বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রসিডেন্টকে দেয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, তাদের কোন দোষ নেই।তাদের কে ভূল বোঝানো হয়েছে।প্রভাবিত করা হয়েছে। এপ্রসংগে এক সাংবাদিক ও ড,ইউনুছের কথা উল্লেখ করে তিনি কি ভাবে প্রভাবিত করেছেন তার বর্ননা ও অনৈতিক মিথ্যে চাপের কথা উল্লেখ করেন। ড, মোহাম্মদ ইউনুসের শিক্ষক থেকে ব্যাংকের এমডি হওয়ার বর্ননা দিয়ে তার সরকারের আমলে নানা ভাবে বিরট অনকের টাকা সহযোগীতা কথা জানান। তিনি আজ উপলদ্ধি করতে পেরেছেন যা ভুল ছিল ।গরীবের নয় আসলে সুবিধা নিয়েছেন ব্যক্তি বিশেষ, অপ কৌশলে।

প্রবাসীদের জন্য নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রবাসিদের জন্য ব্যাংক থেকে টাকা পাওয়া ও মন্ত্রনালয় থেকে যথা যথ ট্রেনিং ব্যাবস্থা। প্রতি উপজেলায় কারিগরী স্কুল প্রতিষ্ঠার কথা তিনি উল্লেখ করেন। তিনি প্রবাসিদের ব্যাবসার আমন্ত্রন জানিয়ে আদের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক অঞ্চল করার প্রস্তাবের কথা জানান।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment - spot_img